(PDF) অটোমোবাইলের ৩০ টি প্রশ্ন ডাউনলোড করুন

অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বই pdf | চাকরীর তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সারাবিশ্বেই প্রবলভাবে কর্মমুখী শিক্ষার জনপ্রিয়তা ও প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর কর্মমুখী বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিযোগিতার দিক থেকে অনেকাটাই এগিয়ে। তাই ধরে নেয়া যায়, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে পারলে উজ্জ্বল এবং সার্থক একটি ভবিষ্যৎ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

আজ কোর্সটিকায় আমরা অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ওপর ৩০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শেয়ার করবো। একজন অটোমোবাইলের শিক্ষার্থী হিসেবে আপনার এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা অতীব জরুরী। আমরা চেষ্টা করেছি প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সংক্ষিপ্ত উত্তর যুক্ত করতে।

পাশাপাশি এখান থেকে PDF ফাইল ডাউনলোড করে পরবর্তী সময়ে অধ্যয়নের জন্য আপনি মোবাইল বা কম্পিউটারে প্রশ্নগুলো সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। এই প্রশ্নগুলোর উত্তরসহ PDF Sheet ডাউনলোড করতে নিচে দেয়া ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করুন।


►► আরো ডাউনলোড: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বই পিডিএফ ডাউনলোড
►► আরো ডাউনলোড: বিসিএস প্রস্তুতি : যে বইগুলো পড়তেই হবে (ডাউনলোড লিংকসহ)
►► আরো ডাউনলোড: এসআই নিয়োগ প্রস্তুতি : সাব-ইন্সপেক্টর হতে চাইলে যা করবেন


অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বই PDF

১. অটোমোবাইল কাকে বলে?
অটোমোবাইল বলতে সাধারণত রাস্তায় চলাচলকারি যানবাহনকে বোঝায়। যেমন: কার, জীপ, মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, ইত্যাদি। অর্থাৎ যার নিজস্ব শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা ইঞ্জিন আছে, তাই অটোমোবাইল। অটোমোবাইলের জনক ক্যাপ্টেন নিকোলাস কাগনট।

অটোমোবাইল অর্থ স্বয়ংক্রিয় যান যা স্থলপথে যাত্রী এবং মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অটোমোবাইল এমন এক প্রকার যান যার মধ্যে শক্তি উৎপাদন এবং সে উৎপাদিত শক্তি বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মাধ্যমে চাকায় স্থানান্তর করে নিজে চলে এবং যাত্রী ও মালামাল বহন করে।

২. ইঞ্জিন বলতে কী বুঝায়। কত প্রকার ও কি কি?
ইঞ্জিন কতগুলো যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা প্রাকৃতিক জ্বালানির রাসায়নিক শক্তিকে সিলিন্ডারের ভিতরে বা বাইরে দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তিতে এবং পরে তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে নিজে চলে এবং অন্যকে চালায়।

জ্বালানি দহনের স্থান অনুযায়ী ইঞ্জিন ২ প্রকার:
ক. অন্তর দহন ইঞ্জিন
খ. বহির দহন ইঞ্জিন
জ্বালানি ব্যবহার ইঞ্জিন ৩ প্রকার:
ক. ডিজেল ইঞ্জিন
খ. পেট্রোল ইঞ্জিন
গ. গ্যাস ইঞ্জিন
জ্বালানি দহনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী ইঞ্জিন ২ প্রকার:
ক. এস.আই ইঞ্জিন
খ. সি.আই ইঞ্জিন

৩. অটোমোবাইলের প্রধান অংশাবলির নাম লিখ?
অটোমোবাইলের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ অংশাবলির নাম নিচে লেখা হলো:
অটোমোবাইল বডি (Automobile body)
ফ্রেম (Frame)
চেসিস (Chessis)
ড্রাইভ লাইন
ক্লাচ (Clutch)
সাসপেনসন সিস্টেম (Suspension system)
ট্রান্সমিশন সিস্টেম (Transmission system)
ড্রাইভ শ্যাফট (Drive shaft)
ডিফারেন্সিয়াল গিয়ার (Differential gear box)
এক্সেল (Axle)
স্টিয়ারিং সিস্টেম (Staring system)
ব্রেক (Break system)
হুইল এবং টায়ার (Wheel and tires)
ইঞ্জিন ( Engine)

৪. সাইকেল (Cycle) বলতে কী বোঝায়?
Crankshaft ঘুরে ঘুরে সিলিন্ডারের ভিতরে পর পর যে কার্য সম্পাদন করে তাকে সাইকেল (Cycle) বলে।

৫. টারবোচার্জার কি?
টারবোচার্জার হলো এমন এক প্রকার সুপার চার্জার যা সংকোচন যন্ত্রের সাধারণ shaft দ্বারা চালিত হয়। এটি চার্জারের গঠন টারবাইন এর অনুরূপ বলে এ সুপারচার্জারকে টারবোচার্জার বা টার্বো-সুপারচার্জার বলা হয়। এটি এক প্রকার সেনট্রিফিউগল প্রকৃতির সুপারচার্জার।

৬. পাওয়ার প্লান্ট কাকে বলে? এটি কত প্রকার ও কি কি?
পাওয়ার প্লান্ট একটি মেকানিক্যাল ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনা, যেখানে প্রাকৃতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং পরে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। ট্রান্সমিশন ও ডিস্টি্রবিউশন ও পাওয়ার প্লান্টের অন্তর্ভুক্ত।
জ্বালানির ব্যবহার অনুযায়ী পাওয়ার প্লান্ট বিভিন্ন প্রকারের হয়।
ক. ডিজেল পাওয়ার প্লান্ট
খ. গ্যাস পাওয়ার প্লান্ট
গ. HFO পাওয়ার প্লান্ট
ঘ. কোল পাওয়ার প্লান্ট
এছাড়াও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহৃত পাওয়ার প্লান্টগুলো হচ্ছে:
ক. পানি বা জল বিদুৎ কেন্দ্র
খ. পারমানবিক পাওয়ার প্লান্ট
গ. সোলার পাওয়ার প্লান্ট
ঘ. বায়ু পাওয়ার প্লান্ট
এছাড়াও পাওয়ার প্লান্ট নিয়ে বর্তমান সময়ে আরো কিছু গবেষণা চলছে। যা সফল হলে নিচে উল্লেখিত পাওয়ার প্লান্টগুলো বাস্তবায়িত হবে:
ক. জিওথার্মাল পাওয়ার
খ. থার্মো ইলেকট্রনিক পাওয়ার
গ. ফুয়েল সেল।

৭. ইঞ্জিনে সুপার চার্জার কেন ব্যবহার করা হয়? সুপার চার্জার এর কাজ কী?
ইঞ্জিনের Volumetric Efficiency বৃদ্ধির জন্য বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে অধিক চাপে সিলিন্ডারে বাতাস প্রবেশ করানো Super Charger এর কাজ।

৮. স্কাভেনজিং (Scavenging) কি?
এটি এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্লেয়ারের সংযোগ এ ইঞ্জিনের পোড়া গ্যাস টেনে বের করে নেয়া হয়। এটি ব্যবহার এ ইঞ্জিনের ক্ষমতা ও দক্ষতা উভয়ই বৃদ্ধি পায়।

৯. ডিজেল ইঞ্জিনে কী ধরনের ফুয়েল ফিল্টার ব্যবহার করা হয়?
Pre-filter অথবা Primary filter এবং secondary filter। এদের গঠন Duplex হলে একটি স্ট্যান্ডবাই রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।

১০. ইঞ্জিনের কানেকটিং রডের কাজ কী?
কানেকটিং রড পিস্টনের রেসিপ্রক্রেটিং মোশনকে Crankshaft এর Rotary Motion এ রূপান্তরিত করে এবং কম্বাশন চেম্বারে উৎপাদিত শক্তি এর মাধ্যমে Crankshaft এ স্থানান্তরিত হয়।

১১. টিডিসি ও বিডিসি এর অর্থসহ অবস্থান উল্লেখ কর।
TDC এর পূর্ণরূপ Top Dead Center এবং BDC এর পূর্ণরূপ Bottom Dead Center। সাধারণত Liner এর ভিতর Piston এর সর্বোচ্চ অবস্থানকে TDC এবং সর্বনিম্ন অবস্থানকে BDC বলে।

১২. সিলিন্ডারের মোট ভলিউম কি?
সুয়েপ্ট ভলিউম ও ক্লিয়ারেন্স ভলিউম এর যোগফল কে মোট ভলিউম বলে।

১৩. পাম্প টাইমিং করতে হলে কী করা প্রয়োজন?
Fuel Injection Pump গিয়ার ট্রেন হতে বিযুক্ত অবস্থায় POPC (Point Of Port Closer) করে ১ নং পিস্টনকে কম্প্রশন স্ট্রোক( BTDC নির্দিষ্ট ডিগ্রিতে) রেখে পাম্প টি গিয়ার ট্রেনের সাথে যুক্ত করতে হবে।

১৪. ইঞ্জিনের নক ও ডেটনেশন বলতে কি বোঝায়?
স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিনে স্বাভাবিক স্পার্ক হওয়ার পর কোন কারণে এয়ার ফুয়েল চার্জের শেষাংশ (End gas) আপনা আপনি জ্বলে উঠলে চাপের পার্থক্যের জন্য যে গ্যাস কম্পন সৃষ্টি হয় তার ফলে হাতুড়ির আঘাতের ন্যায় যে অবাঞ্চিত শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে ডেটনেশন বলে। ডেটনেশনের ফলে ইঞ্জিনের সমস্ত যান্ত্রিক কাঠামোতে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। ফলে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশে যে অস্বাভাবিক শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে নক বলে। সাধারণভাবে নক এবং ডেটনেশন একই অর্থে পরিপূরকভাবে ব্যবহার হয়।

১৫. জেনারেটর কি ?
জেনারেটর এমন একটা যন্ত্র বা মেশিন, যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় । আর যে ডিভাইসের এর মাধ্যমে একে ঘুরানো হয় তাকে prime mover বলে। যেমন Turbine।

১৬. CIE বলতে কী বোঝায়?
CIE এর পূর্ণরূপ Compression Ignition Engine. এটি ডিজেল ইঞ্জিনকে নির্দেশ করে।

১৭. ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ সমূহ লেখ।
ইঞ্জিনে বিভিন্ন কারণে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হতে পারে। যেমন: কম্বাশন চেম্বারে পানি প্রবেশ করলে, Fuel Contamination হলে, ইঞ্জিনের টেম্পারেচার মাত্রাতিরিক্ত হলে, ফুয়েল ইঞ্জেকশন টাইমিং আগে হলে হলে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হয়ে থাকে।

১৮. ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণসমূহ উল্লেখ করো।
ইঞ্জিনে বিভিন্ন কারণে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হতে পারে। যেমন: ইঞ্জিন ওভার লোড অথবা লো লোডে চললে, কম্প্রেশন প্রেসার কম হলে, পিস্টন রিং ও লাইনার ক্ষয়প্রাপ্ত হলে, ফুয়েল ইঞ্জেকশন টাইমিং সঠিক না হলে, ভাল্ব টাইমিং সঠিক না হলে, ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স সঠিক না হলে এবং ইঞ্জেক্টর ত্রুটিযুক্ত হলে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হয়ে থাকে।

১৯. কার্বুরেটর বলতে কী বোঝায়?
কার্বুরেটরকে পেট্রোল ইঞ্জিনের হার্ট বলা হয়। এটি ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অনুপাতে Air-Fuel Mixture তৈরি করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করে।

২০. স্ক্যাভেঞ্জিং বলতে কী বোঝায়?
ইন্টেক এয়ারের সাহায্যে Combustion Chamber হতে Exhaust Gas কে ধাক্কা দিয়ে বের করার পদ্ধতিকে Scavenging বলে।

২১. ক্লিয়ারেন্স ভলিউম (Clearance Volume) কাকে বলে?
পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে এর Top Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থানের আয়তনকে Clearance Volume বলে।

২২. ফুয়েল ইনজেকটরের কাজ কী? বা ইনজেকটর কেন ব্যবহার করা হয়?
Injector এর কাজ Atomized Condition এ Fuel কে Combustion Chamber এ স্প্রে করা। তাই ইহাকে Atomizer ও বলা হয়ে থাকে।

২৩. ইঞ্জিনের প্রধান অংশগুলো কি কি?
ইঞ্জিনের অংশগুলো প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: স্থির অংশ বা Fixed Parts এবং চলমান অংশ বা Moving Parts।

স্থির অংশ বা Fixed Parts: যে পার্টসগুলো স্থির অবস্থায় থেকে ইঞ্জিনকে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে তাদের Fixed parts বলে। যেমন: ইন্জিন ব্লক, ইন্জিন হেড, অয়েল সাম্প, সিলিন্ডার, কার্বুরেটর, গ্যাসকেট, লাইনার, স্পার্ক প্লাগ, ইনজেক্টর, এসি পাম্প, হাইপ্রেশার পাম্প, লো- প্রেশার পাম্প, ডিস্টিবিউটর, এবং ইগনিশন কয়েল ইত্যাদি।
চলমান অংশ বা Moving Parts: যে পার্টসগুলো ইঞ্জিনের স্থির পার্টসের মধ্যে চলমান অবস্থায় থেকে ইঞ্জিনে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে তাদেরকে মুভিং পার্টস বলে। যেমন: ক্র্যাংক শ্যাফট, ক্যাম শ্যাফট, ফ্লাইহুইল, পিস্টন এবং কানেকটিং রড, ভালভ, ট্যাপেড় এবং পুশরড় ইত্যাদি।

২৪. ইঞ্জিন সিস্টেম গুলো কি কি?
ইঞ্জিন সিস্টেমগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ক. ফুয়েল সিস্টেম
খ. কুলিং সিস্টেম
গ. লুব্রিকেটিং সিস্টেম
ঘ. এয়ার ইনটেক এন্ড এগজ্স্ট সিস্টেম
ঙ. ইলেকট্রিক সিস্টেম. যথা
চ. স্টার্টিং সিস্টেম
ছ. ইগনিশন সিস্টেম
জ. চার্জিং সিস্টেম

২৫. পেট্রোল ও ডিজেল ইঞ্জিন বলতে কি বুঝায়?
পেট্রোল ইঞ্জিন: SI বা Spark Ignition Engine (Petrol or Gasoline Engine)। এই ইঞ্জিনে Suction stroke এ সিলিন্ডারে এয়ার ও ফুয়েলের মিশ্রণ প্রবেশ করে। সংকুচিত মিক্সারে Spark plug এর দ্বারা স্পাক সাহায্যে দহন ঘটানো হয়। এতে কার্বুরেটর, স্পার্ক প্লাগ, এসি পাম্প, ডিস্টিবিউটর এবং ইগনিশন কয়েল ইত্যাদি থাকে।
ডিজেল ইঞ্জিন: CI বা Compression Ignition Engine (Diesel Engine)। এতে সাকশন স্টোকে ফ্রেশ এয়ার প্রবেশ করে, সংকুচিত বাতাসের মধ্যে ইনজেক্টরের দ্বারা ডিজেল জ্বালানি স্প্রে করে দহন ঘটানো হয়। এতে হাইপ্রেশার পাম্প, লো প্রেশার পাম্প, ইনজেক্টর ইত্যাদি থাকে।

২৬. ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট বলতে কি বোঝায়? ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এর উদ্দেশ্য কি?
ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট: বয়লারে পানি প্রবেশ করানোর পূর্বে এর বিভিন্ন অপদ্রব্য দূর করে পানিকে পরিশোধন করাকে ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট বলে।
ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এর উদ্দেশ্য:
ক. পানিকে উত্তপ্ত করার ফলে জ্বালানী সাশ্রয় হয়।
খ. স্কেল উৎপন্নকারী লবণসমূহকে বয়লারে প্রবেশের পূর্বেই ওয়াটার থেকে পৃথক করা।
গ. বয়লারে ধাতব অংশ ক্ষয়কারী পানিতে দ্রবীভূত গ্যাস দূর করা।

২৭. সেফটি ভাল্ব কাকে বলে? বয়লারে সেফটি ভাল্ব কেন ব্যবহার করা হয়? সেফটি ভাল্ব কত প্রকার ও কি কি?
সেফটি ভাল্ব: বয়লারের মধ্যে স্টিমের অতিরিক্ত চাপকে যে ভাল্বের সাহায্যে বের করা হয় তাকে সেফটি ভাল্ব বলে। এটি স্বংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত চাপকে বের করে দেয় এবং বয়লারকে নিরাপদ সীমার মধ্যে কার্যকর রাখে। বয়লারের নিরাপত্তার জন্য দুটি সেফটি ভাল্ব রাখা হয়। যাতে একটি নষ্ট হলেও অপরটি দ্বারা সাময়িকভাবে কাজ চালানো যায়।
সেফটি ভাল্ব চার ধরনের হতে পারে। যথা:
ক. লিভার সেফটি ভাল্ব
খ. ডেড ওয়েট সেফটি ভাল্ব
গ. হাই ষ্টীম এন্ড লো ওয়াটার সেফটি ভাল্ব
ঘ. স্প্রীং লোডেড সেফটি ভাল্ব

২৮. ইকোনোমাইজার কি? এটি ব্যবহারের সুবিধা কি?
পরিত্যক্ত ফ্লু গ্যাসের তাপকে কাজে লাগানোর জন্য ইকোনোমাইজার ব্যবহার করা হয়। ইকোনোমাইজার দ্বারা পরিত্যক্ত ফ্লু গ্যাসের তাপ ব্যবহার করে ফিড ওয়াটার কে উত্তপ্ত করা হয়।

২৯. বয়লার এ্যাকসোসরিজ বলতে কি বোঝায়? পাঁচটি বয়লার এ্যাকসোসরিজ এর নাম লিখ।
বয়লার এক্সেসরিজ: বয়লার এক্সেসরিজ হচ্ছে এমন কিছু ডিভাইস যা বয়লারের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বয়লারের সাথে যুক্ত করা যায়!
৫ টি বয়লার এক্সেসরিজের নাম:
ক. সুপার হিটার (Super Heater)
খ. এয়ার প্রি হিটার (Air pre-heater)
গ. ড্রাফট (Draft)
ঘ. ফিড পাম্প (Feed Pump)
ঙ. ইকোনোমাইজার (Economizer)

৩০. বয়লার কেন বিস্ফোরিত হয়?
বয়লারে একটি সেফটি ভাল্ব থাকে, যা একটি নির্দিষ্ট চাপে বা প্রেসারে সেট করা থাকে। বয়লারের অবস্থা অনুযায়ী ওই চাপ নির্ধারণ করা হয়। প্রেসার এর চেয়ে বেশি হলে সেফটি ভাল্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়ার কথা। প্রেসার বেশি হওয়ার পরেও সেফটি ভাল্ব ওপেন না হলে বয়লার বিস্ফোরিত হয়।

Download Sheet


►► আরো ডাউনলোড: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বই পিডিএফ ডাউনলোড
►► আরো ডাউনলোড: বিসিএস প্রস্তুতি : যে বইগুলো পড়তেই হবে (ডাউনলোড লিংকসহ)
►► আরো ডাউনলোড: এসআই নিয়োগ প্রস্তুতি : সাব-ইন্সপেক্টর হতে চাইলে যা করবেন


এইচএসসি শিক্ষার্থীরা অন্যান্য বিষয়ের নোট ও সাজেশান্স পেতে জয়েন করো HSC Candidates, Bangladesh ফেসবুক গ্রুপে। আমরা আছি ইউটিউবেও। আমাদের YouTube চ্যানেলটি SUBSCRIBE করতে পারো এই লিংক থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *